রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪

পাক বাংলার রুপসী অভিনেত্রী জীবন্ত কিংবদন্তী শবনম ঘোষ ঝর্নার আত্মজীবনী Legendary Film Actress Shabnam

পাক বাংলার রুপসী অভিনেত্রী জীবন্ত কিংবদন্তী শবনম ঘোষ ঝর্নার আত্মজীবনী

১৯৭৮ সালের ১৩ মে পাকিস্তানের সবচেয়ে আলোচিত হাই প্রোফাইলড ঘটনা ছিল উর্দু ছবির বিখ্যাত নায়িকা শবনমের গ্যাং রেপ। যা পাকিস্তান ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। লাহোরের পশ গুলবার্গ এলাকায় রবিন ঘোষ-শবনম দম্পতির বাড়িতে এক মর্মান্তিক অগ্নিপরীক্ষার শিকার হয়েছিলেন তাঁরা। সাত অস্ত্রধারী শবনমের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। প্রথমে তারা সারাবাড়ি ঘুরে ডাকাতি করে। বাড়িতে ছিল কয়েকটি আলমিরা। যেখানে শবনমের মূল্যবান সব শাড়ি ড্রেস ছিল। রুপালি পর্দায় শবনমের পরনে যেসব ঝলমলে শাড়ি দেখা যেত, সেগুলো বস্তায় ঢুকিয়ে নেয় সাতজনের সশস্ত্র ডাকাতদল। তারপর বহুমূল্যের সোনার অলংকার লুটপাট করে। নগদ টাকাও নেয় তারা। বিখ্যাত সুরকার রবিন ঘোষ ডাকাতদল দেখে কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়েন। তিনি ডাকাতদের বললেন, ‘আমার যা যা আছে সব তোমরা নিয়ে যাও। কিন্তু আমাদের কোনো ক্ষতি করোনা। আমার শিশুবাচ্চা ভয় পাবে’! তাদের ছেলে রনি ঘোষের বয়স তখন সম্ভবত সাত আট বছর ছিল।

কিন্তু রবিন ঘোষ শবনম দম্পতি বুঝতে পারেননি ডাকাতদলের আসল উদ্দেশ্য। তাদের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে শবনমের উপর। তারা আসলে সেই উদ্দেশ্যেই রবিন ঘোষের বাড়িতে ঢুকেছিল। শবনমের উপর শার্দুলের মত ঝাঁপিয়ে পড়ে সাত জন্তু। তাদের নাম হল মোহাম্মদ ফারুক বন্দিয়াল, ওয়াসিম ইয়াকুব বাট, জামিল আহমদ, তাহির তানভীর, জামশেদ আকবর সাহি, আগা আকিল আহমেদ এবং মোহাম্মদ মুজাফফর। সেদিন রবিন ঘোষ ও অবুঝ শিশু রনির সামনে সম্ভ্রম হারাতে হয়েছিল ট্রু লিজেন্ড শবনমকে। রবিন ঘোষ যিনি সুরের কারিগরিতে অদ্বিতীয় ছিলেন, সেদিন তাকে পৃথিবীর "সবচেয়ে অসহায় ব্যক্তি" হয়েই থাকতে হয়েছিল। সেদিন কালজয়ী সুরের সেই মহান স্রষ্টা পারেননি তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে রক্ষা করতে।

দীর্ঘদিন তিনি ট্রমাটাইজ হয়েছিলেন। শিশু রনির কোমল মনে বিশাল সংঘর্ষ হয়েছিল সেদিন। সেও ট্রমাটাইজড হয়েছিল। এরপর সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শে রনিকে লন্ডনে রবিন ঘোষের ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। সেখানেই পড়াশোনা করেছে রনি। মানসিক এতো বড় এক মানসিক বিপর্যয়ের ফলে স্বাভাবিক অনুভূতি স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেকদূরে ছিটকে পড়েছিলেন শবনম-রবিন ঘোষ।

ঝর্ণা বসাক (জন্ম: ১৭ আগস্ট, ১৯৪৬) বাংলাদেশের প্রখ্যাত নায়িকা ও অভিনেত্রী। যিনি শবনম নামে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[][] শবনম নামের অর্থ দাঁড়ায় ফুলের মধ্যে বিন্দু বিন্দু শিশির ঝরে পড়া। তিনি একজন হিন্দু অভিনেত্রী হিসেবে পাকিস্তানের চলচ্চিত্র শিল্পে বা ললিউডে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৮০'র দশক পর্যন্ত একাধারে সক্রিয় অভিনয় চর্চা করে গেছেন। ১৯৯০-এর দশক থেকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প বা ঢালিউডে অভিনয় করে যাচ্ছেন। ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী শবনম ঐ সময়ে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে তৎকালীন পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিম - উভয় অংশেই সমানভাবে জনপ্রিয় ছিলেন।

১৭ আগস্ট, ১৯৪০ইং সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।[] বাবা ননী বসাক ছিলেন একজন স্কাউট প্রশিক্ষক ও ফুটবল রেফারী। স্বনামধন্য সঙ্গীত পরিচালক রবিন ঘোষ-কে শবনম বিয়ে করেন ১৯৬৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর।[] ২০১৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে গুলশানের নিজ বাসভবনে বার্ধ্যক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন রবীন ঘোষ তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে, নাম রনি ঘোষ।[] তার একমাত্র বড় বোন নন্দিতা দাস বর্তমানে ভারতের কলকাতার সিমলা রোডে বাস করছেন।[]

শৈশবেই বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শিখেছিলেন শবনম। একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে তিনি সুপরিচিতি লাভ করেন। সেখানেই একটি নৃত্যের অনুষ্ঠানে এহতেশাম তার নাচ দেখে এদেশ তোমার আমার চলচ্চিত্রের নৃত্যে অভিনয়ের সুযোগ করে দেন। তিনি আরও কিছু ছবিতে অতিরিক্ত শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন। কিন্তু এহতেশামের পাশাপাশি পরিচালক মুস্তাফিজের নজর কাড়তে সক্ষম হন অতিরিক্ত শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেই। মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে ১৯৬১ সালে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শবনম। এ ছবিতেই তিনি শবনম নাম ধারণ করেন।

১৯৬১ সালে বাংলা চলচ্চিত্র হারানো দিনের মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন শবনম।[] ১৯৬২ সালে উর্দু চলচ্চিত্র চান্দা ছবির মাধ্যমে তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান।[] এ দু'টি ছবিই তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকা থেকে মুক্তি পেয়েছিল।[১০] পরবর্তী বছরে তালাশ সমগ্র পাকিস্তানে মুক্তি পেলে ঐ সময়ের সর্বাপেক্ষা ব্যবসা সফল ছবির মর্যাদা লাভ করে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে শবনম পাকিস্তানের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে চিহ্নিত হন। পেশাজীবি মনোভাবের কারণে তিনি ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের করাচীতে স্থায়ীভাবে বাস করতে থাকেন। সত্তর দশকের শুরুতে শবনম ললিউডে (লাহোর) পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়িকা হিসেবে নিজের স্থান পাকাপোক্ত করেন। তিনি নায়িকা হিসেবে পাকিস্তানের চলচ্চিত্র শিল্পে ধ্বস নামার পূর্বে আশির দশকের শেষ পর্যন্ত প্রবল প্রতাপে একচ্ছত্র প্রাধান্য বিস্তার করেছিলেন। সম্ভবতঃ বিশ্বে তিনিই একমাত্র চলচ্চিত্র অভিনেত্রী যিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত তিনটি দশক ধারাবাহিক ও সফলভাবে রোমান্টিক চরিত্রে অভিনয় করে অগণিত দর্শক-শ্রোতার মন জয় করেছিলেন।
১৯৬১ সালে বাংলা চলচ্চিত্র হারানো দিনের মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন শবনম।[১১] ১৯৬২ সালে উর্দু চলচ্চিত্র চান্দা ছবির মাধ্যমে তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান।[১২] এ দু'টি ছবিই তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকা থেকে মুক্তি পেয়েছিল।[১৩] পরবর্তী বছরে তালাশ সমগ্র পাকিস্তানে মুক্তি পেলে ঐ সময়ের সর্বাপেক্ষা ব্যবসা সফল ছবির মর্যাদা লাভ করে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে শবনম পাকিস্তানের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে চিহ্নিত হন। পেশাজীবি মনোভাবের কারণে তিনি ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের করাচীতে স্থায়ীভাবে বাস করতে থাকেন। সত্তর দশকের শুরুতে শবনম ললিউডে (লাহোর) পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়িকা হিসেবে নিজের স্থান পাকাপোক্ত করেন। তিনি নায়িকা হিসেবে পাকিস্তানের চলচ্চিত্র শিল্পে ধ্বস নামার পূর্বে আশির দশকের শেষ পর্যন্ত প্রবল প্রতাপে একচ্ছত্র প্রাধান্য বিস্তার করেছিলেন। সম্ভবতঃ বিশ্বে তিনিই একমাত্র চলচ্চিত্র অভিনেত্রী যিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত তিনটি দশক ধারাবাহিক ও সফলভাবে রোমান্টিক চরিত্রে অভিনয় করে অগণিত দর্শক-শ্রোতার মন জয় করেছিলেন।

শবনম আয়না ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন এবং ছবিটি পাকিস্তানের সিনেমা হলগুলোতে দীর্ঘদিন যাবৎ চলার রেকর্ড করে। ১৯৬০-এর দশকে কাজী রিজভানী'র পরিচালনায় ওয়াহিদ মুরাদের বিপরীতে লাদলা ছবির সোচা থা পিয়ার না করেংগে গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পায় এবং সেই সাথে তিনিও সকলের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হন।

১৯৮৮ সালে শবনম তার চরিত্র পরিবর্তন করেন এবং পুনরায় ঢাকা ও লাহোরের চলচ্চিত্রাঙ্গনে অভিনয় করতে থাকেন।[১৪] ৪০ বৎসরের অধিককাল ধরে অভিনয়ের ফলে তিনি প্রায় ১৮০টি চলচ্চিত্রের অনেকগুলোতে অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন। শবনম অনেকবার সম্মানসূচক নিগার পুরস্কারের পাশাপাশি তিনবার পাকিস্তানের জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। কাজী হায়াতের পরিচালনায় ও ঢাকা প্রোডাকশনের ব্যানারে তিনি ১৯৯৯ সালে সর্বশেষ আম্মাজান চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। 

ষাটের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে শবনম-রহমান জুটি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান থেকে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে এসে আরো কিছু বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 

সঙ্গীতের অন্তরালে রমরমা দেহব্যবসা চলতো GAAN BANGLA TV চ্যানেলে তাপসের দ্বারা-Unknown Story of Taposh

 সঙ্গীতের অন্তরালে রমরমা দেহব্যবসা চলতো GAAN BANGLA TV চ্যানেলে তাপসের দ্বারা-Unknown Story of Taposh

গান বাংলার তাপস গ্রেফতার, রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ

মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৮ জুলাই ইশতিয়াক মাহমুদ নামে এক ব্যবসায়ীসহ অন্যান্যরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। উত্তরা পূর্ব থানাধীন ৪ নম্বর সেক্টরের আজমপুর নওয়াব হাবিবুল্লাহ হাই স্কুলের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। ইসতিয়াকের পেটে গুলি লাগে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে মামলা দায়ের করেন।

এর আগে গত ৫ আগস্ট রাজধানীর প্রগতি সরণীতে অবস্থিত দেশের একমাত্র সংগীতভিত্তিক টিভি চ্যানেল গান বাংলার ভবনে হামলা চালানো হয়। চ্যানেলটির স্টুডিও সেটআপ, শুটিং ফ্লোর, সাউন্ড সিস্টেম, এডিটিং প্যানেল, সম্প্রচার যন্ত্রসহ কয়েক কোটি টাকার সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে যায়।


উত্তরা পূর্ব থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গান বাংলার চেয়ারম্যান কৌশিক হোসেন তাপসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার সাব-ইন্সপেক্টর মো. মহিববুল্লাহ।

গত সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজজামানের আদালতে রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। 



গান বাংলার চেয়ারম্যান কৌশিক হোসেন তাপস গ্রেপ্তার
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গান বাংলার চেয়ারম্যান কৌশিক হোসেন তাপস কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ। রোববার (৩ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর ভাটারা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ সোমবার ৪ (নভেস্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রওনক জাহান। তিনি বলেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি জানান, রোববার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টায় রাজধানীর ভাটারা প্রগতি স্মরণি থেকে গুলি করার অভিযোগে এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে গণহত্যার ঘটনার মামলাও রয়েছে।
এদিকে ডিএমপির জনসংযোগ শাখার এডিসি ওবায়দুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, তাপসের প্রগতি সরণির অফিসের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গান বাংলার প্রধান নির্বাহী তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হচ্ছে।
সংগীতের জনপ্রিয় মুখ কৌশিক হোসেন তাপস। গান বাংলা টিভির কর্ণধারও তিনি। পাশাপাশি তাপস আওয়ামী সংস্কৃতি অঙ্গনের আস্থাভাজন হিসেবে বেশ পরিচিত।
গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের একমাত্র সংগীত ভিত্তিক টিভি চ্যানেল গান বাংলায় ভাঙচুর করা হয়।
রাজধানীর প্রগতি সরণিতে অবস্থিত ভবনটির বেশিরভাগ ফ্লোর জুড়েই ছিল চ্যানেলটির স্টুডিও সেটআপ, শুটিং ফ্লোর, সাউন্ড সিস্টেম, এডিটিং প্যানেল, সম্প্রচার যন্ত্রসহ কয়েক কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রাংশ। ৮ থেকে ১০তলা এই ভবনের বাইরের প্রায় সব গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়।কৌশিক হোসেন তাপস (জন্ম: ৮ নভেম্বর ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন সঙ্গীত সুরকার এবং গায়ক। তিনি পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী (২০১৩) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ সুরকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।  এছাড়াও ২০১৮ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশী সুরকার এবং গায়ক হিসেবে দাদাসাহেব ফালকে সম্মানসূচক খেতাব অর্জন করেন

তিনি বর্তমানে গান বাংলা টিভির সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। 

আট বছর বয়সে তার প্রথম সঙ্গীত অ্যালবাম "পাখিদের পাঠশালা" একুশে বইমেলাতে প্রকাশিত হয়।[] তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্রডকাস্টিং আর্টস এ পড়ালেখা করে। তিনি শিশু একাডেমীতে গান শেখেন এবং ছায়ানট থেকে লোক সঙ্গীত শেখেন। 

২০১৫ সালে তিনি ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক সেলিম মার্চেন্ট-এর সাথে কাজ করেন।  তাপস "ওয়ান মোর জিরো কমিউনিকেসশন", "দ্য ফুয়েল স্টেশন লেভেল" এবং "টিএম প্রোডাকশন" নামে তিনটি কোম্পানি গঠন করেন।  তার হাত ধরে বাংলা গানের জগতে উইন্ড অব চেঞ্জেস (পরিবর্তনের হাওয়া) নামে সঙ্গীতের একটি ফ্লাটফর্ম তৈরী হয়, যা দেশ বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হয়। তিনি এখন TMRECORDS নামে অডিও কম্পানি গঠন করেছেন। যেখান থেকে ইতিমধ্যে মাইলস ব্যান্ড এর হামিম আহমেদ, ঐশী, লুইপা, আরিফিন রুমি, এস আই টুটুল, দোলা, আনিকা সহ অনেকের গান মুক্তি পেয়েছে।

i'm a freedom fighter singer musician music composer Sound Recordist & Graphics Designer
Former Music Teacher at Iskandhar School, Male', Repulblic of Maldives
Singer-songwriter, Musician at Bangladesh Television
Tagore Sangeet (Rabindra Sangeet ) singer, Radio Bangladesh & BTV
Singer-songwriter at The Liberation War of Bangladesh 1971

মুম্বাইয়ে নিয়মিত কাঁদতেন মৌনী রায়

 

মুম্বাইয়ে নিয়মিত কাঁদতেন মৌনী রায়

ঙ্গ তনয়া সুন্দরী মডেল অভিনেত্রী মৌনী রায়ের জীবনী Lifestory of Bengali Sweet Model Actress Mouni Roy #bramstrarasiya #mouniroy #bollywood #actress #biographyinbengali
https://youtu.be/pFYN6upX07A
মৌনি
রায়।



মৌনি রায়ের কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই। ২০০৬ সালে কিউকি সাস ভি কভি বহু থি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করা এই অভিনেত্রী ব্রহ্মাস্ত্র: পার্ট ওয়ান- শিভা, গোল্ড', মেড ইন চায়না, ব্ল্যাকআউট-এর মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন। অভিনেত্রী সম্প্রতি বলিউড বাবলের সঙ্গে আলাপচারিতা করেছেন এবং খাবারের প্রতি তার ভালোবাসা, বিএফএফ দিশা পাটানা এবং তার ক্যারিয়ারসহ অনেক বিষয় সম্পর্কে কথা বলেছেন।

মৌনি তার ক্যারিয়ারের শুরুতে বডি-শেমড হওয়ার বিষয়ে এবং কীভাবে তিনি তা মোকাবিলা করেছিলেন সে সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেন। সে সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মৌনি রায় বলেন, ‘‘আমি যখন শুরু করেছিলাম (অভিনয়) তখন আমি খুব সৎ থাকতাম এবং লোকেরা কথা বলত, আমি সর্বদা শুনেছি, সর্বদা জানতাম যে আমি দেখতে সেরা ব্যক্তি নই।

অভিনেত্রী বলেন, কিন্তু আমি যখন মুম্বাই আসি, তখন মাত্র হিন্দি ছবির জগতে আত্মপ্রকাশ করেছি। বয়স মাত্র ১৯। সেই সময় এত সমালোচনা সামলাতে পারতাম না। খুব কান্নাকাটি করতাম। কঠিন সময় ছিল। একটি কক্ষে লোকজনকে আমার সম্পর্কে কথা বলতে শুনেছি।

মৌনি বলেন, আমি যখন প্রথম মুম্বাইয়ে আসি, তখন আমি চুল বা মেকআপ সম্পর্কে কিছুই জানতাম না বা কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হয় তা জানতাম না। তবে সৌভাগ্যক্রমে আমি খুব পর্যবেক্ষক ছিলাম এবং ঈশ্বর আমাকে অবশেষে সমস্যা কাটিয়ে ওঠার বুদ্ধি দিয়েছিলেন।

পরিণত হওয়ার নিজেকে ভালোবাসা জরুরি বলে উপলব্ধি করেছেন অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘‘প্রতিনিয়ত নিজেকে বেচারা ভেবে সহানুভূতির চোখে দেখলে কাজ করতে পারব না। আপনি যদি নিজেকে ভালোবাসা দেন তবেই আপনি তা অন্যকে দিতে পারবেন। তাহলেই আপনি শিখতে পারবেন। পরবর্তী কালে আধ্যাত্মিক চিন্তাভাবনা বিকাশের মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসেন বলে জানান তিনি।

মৌনী রায় (জন্ম: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫)[] হচ্ছেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র  টেলিভিশন অভিনেত্রী এবং মডেল তিনি কালারসে সম্প্রচারিত নাগিনে শিবণ্যা রিতিক সিং এবং শিবাঙ্গী রকি প্রতাপ সিং চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।[][] এছাড়াও তিনি জুনুনঅ্যায়সি নাফরাত তো ক্যায়সা ইশকে মীরা চরিত্রে অভিনয় করেছেন।[] ২০১৪ সালে, তিনি ঝলক দিখলা যায় একজন প্রতিযোগী হিসেবে প্রতিযোগিতা করেছেন। তিনি হচ্ছেন একজন প্রশিক্ষিত কত্থক নৃত্যশিল্পী

মুনি রায় ২৭ জানুয়ারি ২০২২ পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত ব্যাবসায়ি সুরাজ নাম্বিয়ার কে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন

প্রারম্ভিক জীবন এবং কর্মজীবন

মৌনী রায় জন্মগ্রহণ করেন ২৮ শে সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের এক বাঙালি পরিবারে। তার পিতামহ, শেখর চন্দ্র রায় একজন সুপরিচিত জাতীয় থিয়েটার শিল্পী ছিলেন। তার মা মুক্তি থিয়েটার শিল্পী হলেও তার বাবা অনিল রায় কোচবিহার জেলা পরিষদের অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট। কোচবিহারের বাবুরহাটে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ১২ তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়তেন এবং তারপর দিল্লি যান। তিনি তার বাবা-মায়ের আস্থা নিয়ে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়াতে গণযোগাযোগে ভর্তি হন, কিন্তু কোর্সের মাঝে তা ছেড়ে দিয়ে চলে যান এবং মুম্বাইতে গিয়ে তার ভাগ্য চলচ্চিত্রে দেখার চেষ্টা করেন। তিনি তার পরীক্ষার ১ম অংশ সমাপ্ত করেন এবং পরে আর দিল্লি ফিরেননি।

রায় তার কর্মজীবন শুরু করেন ২০০৭ সালে নাটক কিউকী সাস ভি কাভি বাহু থি এ।এতে ছিলেন পুলকিত সম্রাট। এরপর তিনি জারা নাচকে দিখাও তে কারিশমা তান্না জেনিফার উইংগেটের সাথে প্রথম সেশন জিতে নেন। তারপর কস্তুুরি সিরিজে তাকে শিবানী রুপে দেখা যায়। ২০০৯ সালে, রায় পতি পত্নী ওর তে গৌরব চোপড়ার সাথে, ২০১০ সালে অংশগ্রহণ করেন, তিনি দো সাহেলিয়া তে রুপ হিসেবে অভিনয় করেন।

সাফল্য

২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত লাইফ ওকে' দেব কি দেব মহাদেব  সতীর ভূমিকায় অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছেন। ২০১৩ সালে ২০১৪ সালে তিনি জুনুনঅ্যায়সি নাফরাত তো ক্যায়সা ইশক  আদিত্য রেদজির বিপরীতে অভিনয় করেন। ২০১৪ সালে, তিনি কালারস  ঝালক ডিখ লাজাতে নৃত্য প্রদর্শনীতে অংশ নেন। তিনি সম্পূর্ণ ১৪ সপ্তাহের জন্যে এতে টিকে ছিলেন ফাইনালিস্ত হিসেবে শেষ করেছেন।

২০১৫ সালে টেলিভিশনে ফিরে আসেন একতা কাপুরের অতিপ্রাকৃত সিরিজ নাগিন  শিবানীর ভূমিকায়ই।এতে অভিনয় করেছেন অর্জুন বিজয়লানি এবং আদা খান। তিনি বক্স ক্রিকেট লীগএ মুম্বাই টাইগারদের খেলোয়াড়দের একজন। তিনি এন্ড টিভিতে নৃত্যশিল্পী শো ইউ কান থিঙ্ক ইউ ডান্সউপস্থাপন করেন রিথভিক ধানজানির সাথে। রায় নাগিনের সিজন তেও একটি ডবল ভূমিকা পালন করেন। এর আগে, তিনি নিশ্চিত করেছিলেন যে তিনি নাগিনের তৃতীয় সিজনের প্রধান চরিত্রে থাকবেন। বলিউডের চলচ্চিত্রের ব্যস্ত সময়সূচীর কারণে তিনি অংশ নেন নি।

বর্তমানে মৌনী রায় "ব্রহ্মাস্ত্র" ছবির শুটিং ব্যস্ত আছেন।এই ছবিতে তার বিপরীতে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন,আলিয়া ভাট সহ আরো অনেকে। এছাড়াও তিনি "গোল্ড"মুভিতে অক্ষয় কুমার এর বিপরিতে অভিনয় করেছেন।ছবিতে তার চরিত্রের নাম মিস মনবীণা সেন।

নাটক

·         ২০০৭-০৮ কিউকী সাস ভি কাভি বাহু থি-কৃষ্ণ তুলসী

·         ২০০৮ জারা নচকে দিখা -প্রতিযোগী

·         ২০০৮ কস্তুরি - শিবানী

·         ২০০৯ পাতি পাটনি আওর ওহহ-প্রতিযোগী

·         ২০১১১৪ দেব কি দেব মহাদেব - সতী

·         ২০১২১৩ জুনুনঅ্যায়সি নাফরাত তো ক্যায়সা ইশক

·         ২০১৪- ঝালক দিখলা জা

·         ২০১৫নাগিন - শিবন্যা / শিবাঙ্গী

 

মৌনী রায় রোমিও আকবর ওয়ালেট সিনেমাতে অভিনয় করেছেন জন আব্রাহামের সাথে।[]

প্রেমের সম্পর্ককে বাঁচানোর এক মহান মন্ত্র শেখালেন মৌনী রায়

নারী পুরুষের সম্পর্ক আধুনিক জীবনে ক্রমে ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে। সেখানে প্রেমের সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে এক মহান মন্ত্র শিখিয়ে দিলেন অভিনেত্রী মৌনী রায়।

নারী হোক বা পুরুষ, নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির পর তা টিকিয়ে রাখাটাও তো দরকার। যাতে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। বর্তমান জীবনে এই সম্পর্ক এতটাই ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে যে তা ছোট ছোট কারণে ভেঙে যায়। ব্রেকআপ হয়। অভিনেত্রী মৌনী রায় এই সম্পর্ক বাঁচানোর একটি টোটকা দিলেন সকলকে।

মৌনী রায়ের মতে, সম্পর্ক টেকে কয়েকটি কথা মাথায় রাখলে। তবে সবার আগে যেটা করতে হবে সেটা হল নিজের যদি কোনও প্রাক্তন থেকে থাকেন তাহলে তাঁর সম্বন্ধে বেশি কথা না বলা।

অর্থাৎ যদি কোনও নারীর প্রাক্তন প্রেমিক থেকে থাকেন বা কোনও পুরুষের প্রাক্তন প্রেমিকা থেকে থাকেন, তাহলে তাঁকে নিয়ে এখন যাঁর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে তাঁকে বেশি কথা না বলাই ভাল।  

প্রাক্তন সম্পর্ক সম্বন্ধে আলোচনা না করাই শ্রেয়। এতে বর্তমান সম্পর্কের বন্ধন শক্ত হয়। মৌনীর মতে আরওটি বিষয়ও মনে রাখতে হবে।প্রাক্তনের সম্বন্ধে বেশি আলোচনা না করে বরং বর্তমানে যাঁর সঙ্গে সম্পর্ক তাঁর ভালোলাগাগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। একে অপরকে নিয়ে অতিরিক্ত ভেবে মাথা খারাপ না করাই ভাল।

বরং জীবনের স্বাভাবিক গতির সঙ্গে এগিয়ে চলাই সঠিক কাজ। আর অবশ্যই নিজেদের জীবনে আনন্দকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আনন্দে কাটানোটা খুব প্রয়োজনীয়। আনন্দে সময় কাটালে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করেন মৌনী। বিনোদন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত মৌনি রায়। তার  অভিনয় দিয়ে মুগ্ধ করেছে বলি থেকে টলি দুনিয়াতে। একতা কাপুরের হিট সিরিয়াল নাগিনে প্রধান ভূমিকা পালন করার পর মৌনি রায় তারকা খ্যাতি অর্জন করেন। সম্প্রতি, মৌনি রায় Mashable India- হাজির হন এবং তার ব্যক্তিগত জীবন, অভিনেত্রী হওয়ার আগে তার জীবন, তার পরিবার, তার পেশাগত সাফল্য, ভবিষ্যতের প্রচেষ্টা ইত্যাদি সম্পর্কে কথা বলেন। ওই  আলোচনায় অভিনেত্রী প্রকাশ করেছেন যে তিনি তার যুগান্তকারী শো, নাগিন স্বাক্ষর করার আগে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা কতটা গুরুতর ছিল?

নাগিনে যোগ দেওয়ার আগে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, নাগিন শুরু করার  আগে, আমি এমন একটি পর্যায়ে ছিলাম যেখানে আমি ভেবেছিলাম আমার জীবন শেষ হয়ে গেছে। গুরুতর অসুস্থ ছিলাম। আমি ঝলক দিখ লাজা শেষ করেছিলাম তার পর থেকেই আমার মেরুদণ্ডে L4-L5 সম্পূর্ণ স্লিপড ডিজেনারেশন এবং স্কোলিওসিস হয়ে গিয়েছিল, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারিনি।

বড়সড় মোড় এসেছে মৌনি রায়ের কেরিয়ারে। কোচবিহারের মেয়ে মৌনি। মুম্বইয়ে কাজ করছেন বহু বছর। সুন্দরী অভিনেত্রী হিন্দি সিরিয়ালের জনপ্রিয় মুখ। 'দেবয়োঁ কে দেব... মহাদেব' পৌরাণিক ধারাবাহিকে সতীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মৌনি। অভিনয় করেন খল চরিত্রেও, 'নাগিন' ধারাবাহিকে। কেবল ধারাবাহিকে নয়, ছবিতেও অভিনয় করেছেন। যেমন—'গোল্ড', 'তুম বিন টু', 'মেড ইন চায়না' মতো ছবি। এবার যে ছবিটি মৌনির কেরিয়ার পাল্টে দিতে চলেছে, তা হল 'ব্রহ্মাস্ত্র' আলিয়া-রণবীরের 'ব্রহ্মাস্ত্র' 'ব্রহ্মাস্ত্র'তে মৌনি রায় খলনায়িকা। মঙ্গলবার (১৪.০৬.২০২২) আলিয়া নিজেই লুক প্রকাশ করেছেন মৌনির। চরিত্রের নাম জুনুন। সে অন্ধকারের রহস্যময়ী রানি। লাল তার চোখ। এই পোস্টার বেরনোর পরই দিনের আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছেন বলিউড়ের এই বঙ্গ তনয়া।অভিনয়ের পাশাপাশি মৌনি একজন সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন। তাঁর রূপের জাদুতে ঘায়েল অনেকেই। অনেকেই জানতে চান তাঁর ভাইটাল স্ট্যাটস কত। সবুর করুন। তার আগে জানুন, মুন সাইন অনুযায়ী মৌনি তুলা রাশির জাতিকা। এবং জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী এখন দারুণ সময় মৌনির। ফলে এতবড় ব্রেক এসেছে মৌনির কেরিয়ারে।'ব্রহ্মাস্ত্র' ছবিতে আলিয়ার তাঁর লুক প্রকাশের পর মৌনিও শেয়ার করেছেন সেটি। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, " বছরের অপেক্ষার অবসানের পর বাস্তবের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছি।"মৌনির সৌন্দর্যের প্রশংসা করেন সকলে। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা বিরাট লম্বা। সেই

কোচবিহারের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছিলেন মৌনি। তারপর উচ্চশিক্ষা লাভ করতে চলে যান দিল্লিতে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিরান্ডা হাউজ়ে লেখাপড়া করেছেন। বিষয় ছিল ইংরেজি অনার্স। তারপর মাসকমিউনিকেশনে স্নাতকোত্তর করেছেন জামিয়া মালিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।কেবল অভিনয়, লেখাপড়া রূপচর্চা নয়, মৌনির একাধিক শখও আছে। তিনি বই পড়তে ভালবাসেন। ছবি আঁকতে, বেড়াতে যেতে নাচতে ভালবাসেন মৌনি। খেতে ভালবাসেন কড়ি চাওয়াল, খিচুড়ি, মিষ্টি দই চাইনিজ়। বলিউডে তাঁর প্রিয় নায়ক শাহরুখ খান। যদিও এখনও পর্যন্ত শাহরুখের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ আসেনি তাঁর। হলিউডে তাঁর প্রিয় নায়ক লিওনার্ডো ডি কেপ্রিও, রায়ান গসলিং। প্রিয় অভিনেত্রী একজনইমাধুরী দীক্ষিত। প্রিয় গান লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া 'লগ যা গলে' প্রিয় বেড়াতে যাওয়ার জায়গা লন্ডন প্যারিস। প্রিয় লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়ার। ৭০ কোটি টাকার সম্পত্তি আছে মৌনির।

পুরুষের সংখ্যাই বেশি। অনেকেরই মনের মল্লিকা মৌনি। তাঁর উচ্চতা ফুট ইঞ্চি। তাঁর ওজন ৫০ কিলোগ্রাম।তাঁর ভাইটাল স্ট্যাটস ৩৪-২৬-৩৪, যেটিকে নারী শরীরের আদর্শ গড়ন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাঙালি সুন্দরী মৌনির চোখের রং কালো, তাঁর কেশের রং কালো।এত গেল তাঁর রূপের কথা। মৌনি মেধাবীও।  

মৌনির পরিবারে অভিনয় রয়েছে। তাঁর মা মুক্তি একজন থিয়েটার অভিনেত্রী। তাঁর দাদু শেখর চন্দ্র রায়ও বাংলার থিয়েটার অভিনেতা। মৌনি নিজে কত্থক ব্যালেট নাচে পারদর্শী। ২০১৪ সালে 'ঝলক দিখলা যা' রিয়্যালিটি শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। কলেজে কোরিওগ্রাফিও করেছিলেন তিনি।মৌনি কি বিতর্ক থেকে বিরত? একেবারেই নয়। 'পতি পত্নী অউর ইয়ো' রিয়্যালিটি শো চলাকালীন অভিনেত্রী দেবিনা ভট্টাচার্যর সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন মৌনি। ২০১২ সালে অভিনেতা অমিত ট্যান্ডন বলেছিলেন, মৌনি নাকি তাঁর স্ত্রী রুবিকে নানাভাবে ব্যবহার করেছিলেন। তারপর তাঁকে মাঝপথেই ছেড়ে দিয়েছিলেন বিপদের সময়। অমিত তাঁর স্ত্রী মৌনির মুখও দেখতে চান না এখন।











২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারদীর্ঘদিনের প্রেমিক ব্যবসায়ী সুরজ নামবিয়ারকে বিয়ে করেন মৌনি। কিন্তু তার আগেও তাঁর সম্পর্ক হয়েছে। 'দেবয়োঁ কে দেব... মহাদেব' ধারাবাহিকের সহ-অভিনেতা মোহিত রায়নার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মৌনির। সম্পর্ক ছিল গৌরব চোপড়ার সঙ্গেও।

'হবু চন্দ্র রাজা গবু চন্দ্র মন্ত্রী' "কবিতার লেখক: এই জনপ্রিয় কবিতাটির লেখক হলেন অবিস্মরণীয় শিল্পী সুকুমার রায়।

  আপনার পরিকল্পনাটি অসাধারণ এবং অত্যন্ত সময়োপযোগী ! ' হবু চন্দ্র রাজা গবু চন্দ্র মন্ত্রী ' সিনেমাটি ২০২১ সালে পশ্চি...