গায়িকা সালমার বিবাহ ও বিতর্ক: বিবাহ, তালাক ও দ্বিতীয় বিবাহ সংক্রান্ত তথ্য ও প্রশ্ন
- মৌসুমী আক্তার সালমা (সাধারণভাবে
“সালমা” নামে পরিচিত) একজন জনপ্রিয় গায়িকা, যিনি “ক্লোজআপ ওয়ান তারকা” রিয়ালিটি শো থেকে খ্যাতি
- তার ব্যক্তিগত
জীবন—বিশেষ করে বিবাহ, তালাক ও
দ্বিতীয় বিবাহ—নিয়ে মিডিয়ায় সময়ে সময়ে খবর হয়েছে।
- এ প্রতিবেদনে আমরা সংবাদ ও
তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে সালমার বিবাহ-তথ্য, তার প্রথম ও
দ্বিতীয় বিবাহের প্রসঙ্গ, বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক) ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ও
বিতর্ক তুলে ধরব।
বিবাহ ও পরিবার—প্রথম দিক
প্রথম বিবাহ
- সালমা ২০১১ সালে রাজনীতিবিদ
শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে
বিয়ে করেন।
- সেই সংসারে তাদের এক কন্যাসন্তান
(স্নেহা) হয়।
বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক)
- ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর শিবলী সাদিক ও সালমার বিবাহবিচ্ছেদ হয় বলে সংবাদ পাওয়া গেছে।
- বিচ্ছেদের
কারণগুলোর বিস্তারিত মিডিয়ায় প্রকাশ পায়নি।
দ্বিতীয় বিবাহ ও পরবর্তী বিতর্ক
দ্বিতীয় বিবাহ
- সালমা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর
ধানমণ্ডির একটি পারিবারিক আয়োজনে সানাউল্লাহ নূর নামে একজনকে বিয়ে করেন।
- সাংবাদিকদের
সামনে তিনি জানান, তাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল না; এই শাখায় “পারিবারিকভাবে” বিয়ে হয়েছে।
- তিনি আরও বলেন, “চার মাস পর দেশে আসবেন সানাউল্লাহ;
এরপরই আমাদের বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান হবে।”
প্রথম স্ত্রীর অভিযোগ
- সানাউল্লাহ
নূরের প্রথম স্ত্রী তাসনিয়া মুনিয়াত পুষ্মী একটি সংবাদ সম্মেলন করেন, যেখানে তিনি অভিযোগ আনেন:
- নির্যাতন
ও শারীরিক নির্যাতন: তাঁর দাবি, বিবাহের কিছুদিনের মধ্যে নূর মুনিয়াতকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন।
- প্রতারণা:
মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও অর্থলগ্নি সম্পর্কিত প্রতারণার অভিযোগও তিনি তুলেছেন।
- অর্থ
ও ঋণ: মুনিয়াত দাবি করেছেন, নূরকে বিদেশ পাঠাতে বা ব্যবসা শুরু করার জন্য তার পরিবার ঋণ নিয়েছেন, এবং সেই অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম হয়েছে।
- মামলা:
২০১৮ সালের ৫ জুলাই কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মুনিয়াতের মা একটি মামলা করেন নূরের বিরুদ্ধে।
- বিচ্ছেদ
না হওয়া: পুষ্মীর বক্তব্য ছিল, নূর ও মুনিয়াতের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি; সে কারণেই দ্বিতীয় বিবাহ বৈধ নয়—এ বিষয়ে সালমা ও নূর দাবি করেছিলেন that divorce হয়ে গেছে।
- সংবাদ সম্মেলনে
পুষ্মী বলেন, “বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই আমার ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালান সানাউল্লাহ নূরী।”
- তিনি আরও দাবি করেছেন, আইনগত বিচার চান এবং তিনি হুমকি ও
অন্যায় চাপে পড়েছেন।
সালমার
প্রতিক্রিয়া
- সালমা এই অভিযোগগুলি
সম্পর্কে বলেছেন, “প্রথম স্ত্রীর সম্পর্কে সবকিছুই আমাকে বলা হয়েছে। এটা তার জীবনের একটা দুর্ঘটনা বলে আমাকে বলা হয়েছে।”
- তিনি বলেছিলেন,
“আমি আইনজীবী, আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সব কিছু স্পষ্ট হবে।”
- এছাড়া, মিডিয়াতে
এমনও খবর আসে যে সালমা বিবাহের ষড়যন্ত্র থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চেয়েছেন।
প্রশ্ন ও অজানা বিষয়
যদিও
কিছু
তথ্য
পাওয়া
গেছে,
বেশ
কিছু
বিষয়
স্পষ্ট
নয়
বা
সংবাদসূত্র দ্বারা
সৃষ্ট
একপক্ষে তথ্য:
- তালাকের
প্রক্রিয়া ও আইনি অবস্থা
- নূর ও পুষ্মীর
মধ্যে কি প্রকৃতভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে? পুষ্মীর দাবি অনুযায়ী তা হয়নি।
- যদি বিচ্ছেদ
হয়ে থাকে, তার আইনগত প্রমাণ ও রেজিস্ট্রেশন কোথায়?
- দ্বিতীয়
বিবাহ বৈধ কি না?
- ইসলামী আইন ও বাংলাদেশের
পারিবারিক আইন অনুযায়ী, যদি প্রথম বিবাহবিচ্ছেদ সঠিকভাবে সম্পন্ন না হয়, তাহলে দ্বিতীয় বিবাহ অবৈধ ধরা যেতে পারে।
- তবে সালমা ও নূর দাবি করেছেন, তারা আইনগতভাবে
সব কিছু করেছেন।
- আর্থিক
লেনদেন ও অভিযোগের সত্যতা
- প্রথম স্ত্রীর
অভিযোগ অনুযায়ী ব্যাপক আর্থিক লেনদেন হয়েছে — কিন্তু এসব দাবি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা সংবাদে পাওয়া যায়নি।
- এই মামলা ও অভিযোগ নিয়ে যে আইনি পদক্ষেপ
হয়েছে—কোন কোন সিদ্ধান্ত হয়েছে—সেসব তথ্য পাওয়া যায়নি।
- সালমার
ভূমিকা ও জ্ঞাত হওয়া বিষয়
- সালমা কি আগে থেকে এসব বিষয় জানতেন?
- তার পারিবারিক
ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তগুলোর প্রেক্ষাপট কী ছিল?
- সংবাদপত্রে তার বক্তব্য ও দ্বিমত কোথায়?
সংক্ষেপে সারাংশ
- সালমা প্রথম বৈবাহ করেন শিবলী সাদিকের সঙ্গে—পরবর্তীতে
২০১৬ সালে তারা বিবাহবিচ্ছেদ করেছেন।
- তিনি ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর
সানাউল্লাহ নূরের সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ করেন।
- কিন্তু দ্বিতীয়
বিবাহ ও
নূরের প্রথম স্ত্রীর অভিযোগ বিতর্ক সৃষ্টি করে — প্রথম স্ত্রীর দাবি, বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি; সালমা ও
নূর দাবি করেছেন বিচ্ছেদ হয়েছে।
- মামলা ও অভিযোগের সত্যতা ও
বিচারিক সিদ্ধান্তের তথ্য এখনও সংবাদে স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।
- সালমা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের কথাবার্তা ও
মিডিয়ায় প্রকাশিত বিবৃতিগুলো রীতিমতো উত্তেজনাপূর্ণ, এবং যেকোনো চূড়ান্ত দাবি—বিশেষ করে আইনগত—নিজে যাচাই করা উচিত।
“গায়িকা সালমার বিবাহ, তালাক ও বিতর্ক: সত্য কি মিথ্যাযাত্রা?”
(বা) “সালমা: প্রথম বিয়ে, তালাক ও দ্বিতীয় বিবাহের গল্প — বিশ্লেষণ ও তথ্য”
- “স্বাগতম, আজ আমরা আলোচনায় আনব জনপ্রিয় গায়িকা সালমা-র
ব্যক্তিগত জীবনের একটি বিতর্কিত অধ্যায় — তার প্রথম ও
দ্বিতীয় বিবাহ, তালাক ও
সংশ্লিষ্ট অভিযোগসমূহ।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং চ্যানেল আই বাংলা টকশোতে এটি ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। চলুন শুরু করি—তথ্যভিত্তিক
বিশ্লেষণ দিয়ে।”
ভূমিকা
- সালমা: সংগীত রিয়েলিটি
শো “ক্লোজআপ: তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ”-এর দ্বিতীয় আসরের বিজয়ী, এরপর বাংলা গানে প্রতিষ্ঠিত
নাম।
- তাঁর ব্যক্তিগত
জীবন—বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ ও
পুনরায় বিবাহ—সর্বদা সংবাদ মাধ্যমের নজরে ছিল।
১. প্রথম বিবাহ ও বিচ্ছেদ
✅
বিবাহ
- সালমা ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি
(কিছু সংবাদ মতে) রাজনীতিবিদ শিবলী সাদিক-কে বিয়ে করেছিলেন। Prothomalo+1
- তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান—“স্নেহা”—জন্মগ্রহণ
করে। Prothomalo+2চ্যানেল আই অনলাইন+2
❌
বিবাহবিচ্ছেদ
- ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বরে
সালমা ও
শিবলী সাদিকের বিবাহবিচ্ছেদ হয় বলে সংবাদ প্রকাশ পায়।
- বিচ্ছেদের
কারণগুলো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ পায়নি—তথ্যসূত্র প্রায়শই “পারিবারিক দ্বন্ধ” বা “অসামঞ্জস্য” উল্লেখ করে।

২. পুনরায় বিবাহ (দ্বিতীয় বিবাহ) ও বিতর্ক
🔔
বিবাহের সংবাদ
- সালমা ঘোষণা করেন ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর
ধানমণ্ডির বাসভবনে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে সানাউল্লাহ নূর (সাগর) নামে আইনজীবীর
সঙ্গে।
- সালমা বলেন, “আমাদের প্রেম সম্পর্ক ছিল না, পারিবারিকভাবে
আমাদের বিয়ে হয়েছে”।
- তিনি আরও জানিয়েছিলেন,
চার মাস পর সাগর দেশে আসবেন, তখন বিয়ের অনুষ্ঠান হবে।
⚠️
অভিযোগ ও বিতর্ক — প্রথম স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
- তাসনিয়া
মুনিয়াত পুষ্মী নামে সাগরের (নূরের) প্রথম স্ত্রী একটি সংবাদ সম্মেলন করেন, যেখানে তিনি নানা অভিযোগ করেন।
- শারীরিক
ও মানসিক নির্যাতন: পুষ্মী দাবি করেন, বিবাহিত জীবনে নির্যাতন ও মানসিক চাপ দেওয়া হয়েছে।
- অর্থিক
প্রতারণা: পুষ্মী দাবি করেন, স্বামী ও শাসক পরিবার নানা ভাবে অর্থ ব্যবহার করেছে ও দাবি রেখেছেন।
- মামলা:
২০১৮ সালের ৫ জুলাই কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পুষ্মী ও তার পরিবার মামলা দেন।
- পুষ্মীর যুক্তি ছিল, সাগর ও পুষ্মীর মধ্যে বৈধ বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি, তাই সাগরের সালমার সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
- সালমার
প্রতিক্রিয়া
- সালমা জানান, “প্রথম স্ত্রীর কাছ থেকে সব তথ্য আমাকে দেওয়া হয়েছে; আমি বিষয়গুলো
ব্যক্তিগতভাবে জানি না।”
- তিনি জানিয়েছেন,
সাগর আইনজ্ঞ—সব বিষয় আইনমাফিক হবে।
- তবে প্রথম
আলো সংবাদে বলা হয়েছে, সালমা “দ্বিতীয় স্বামীর আগেকার বিয়ে” সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের পর জানেন, এবং প্রথম স্ত্রীর মামলা সম্পর্কে তার দাবি ছিল, “আমার স্বামী লন্ডনে আছেন, কীভাবে মামলাটি করা হলো?”
৩. আইন, বিধি ও প্রশ্নবিদ্ধ দিক
আইনগত প্রেক্ষাপট
- বাংলাদেশের
পারিবারিক আইন ও
মুসলিম বিয়েবিচ্ছেদ সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী, যদি কোনো পুরাতন বিবাহবিচ্ছেদ বৈধভাবে না করা হয়, তাহলে পুনরায় বিবাহ আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
- কিন্তু সংবাদে জানা যায়, সালমা ও সাগর দাবি করেছেন, “বিচ্ছেদ হয়েছে”—তবে মূল প্রমাণ বা নথি গণমাধ্যমে উঠে আসেনি।
❓
প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা
- বিচ্ছেদের
প্রমাণ: সাগর ও
পুষ্মীর মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ যদি হয়নি, তাহলে সাগরের দ্বিতীয় বিবাহ বৈধ হিসেবে গণ্য হবে কি না?
- মামলাগুলোর
ফলাফল: বাদী পক্ষ বা অভিযুক্ত পক্ষ কি আদালতে প্রমাণ প্রদর্শন করেছে? কোথায় রায় দেওয়া হয়েছে?
- সালমার
জ্ঞান ও সম্মতি: সালমা কি আগে থেকেই এসব অভিযোগ জানতেন?
- সংশ্লিষ্ট
পক্ষের কথা: সাগর, পুষ্মী, সালমা—তিনজনেই সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন, কিন্তু কথাগুলোর সত্যতা যাচাই প্রয়োজন।
- জনমত
ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া: এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মিডিয়া ও
দর্শক কীভাবে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে—এও ভিডিওর আলোচনায় যুক্ত করা যেতে পারে।
৪. বিশ্লেষণ ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি
- তथ্য
বনাম দাবিসমূহ: মিডিয়ায় প্রচলিত দাবি ও
অভিযোক্তা-দৃষ্টিকোণ (পুষ্মীর বক্তব্য) বনাম সালমার ও
সাগরের দাবি — একে একে বিচার করা জরুরি।
- সত্য
প্রমাণ করতে আইনসেবা ও নথিপত্রের গুরুত্ব: সংবাদ ছাপা গল্প কেবল মাধ্যমিক উত্স হতে পারে; বিচারিক রায়, বিবাহ নথি, তালাক নথি—এসব মূল প্রমাণ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্ব বাড়ে।
- মানবিক
দৃষ্টিভঙ্গি: যিনি সম্মান ও
অধিকার দাবি করছেন—তার দিক থেকে বিচার করা উচিত।
- সাংবাদিক,
মিডিয়া ও দর্শকের দায়িত্ব: কেবল চটকদার সংবাদ নয়—সত্য, ন্যায় ও
সম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ।

৫. উপসংহার ও দর্শকদের আহ্বান
- সালমার জীবনের এই পর্যায়—প্রথম বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ
ও
দ্বিতীয় বিবাহ—মনে রাখার মতো একটি গল্প, যেখানে সত্য, অভিযোগ ও
বিতর্কের মিলন ঘটে।
- বর্তমান সংবাদসূত্র
ও
মিডিয়ায় যা প্রকাশিত হয়েছে, তা অনেকটাই আনুষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা ও
প্রমাণের অভাব।
- দর্শক
বন্ধুরা: আপনি কি বিশ্বাস করবেন মিডিয়ায় যা বলা হয়েছে, নাকি বিচারিক সিদ্ধান্ত ও
প্রমাণের দিকে নজর দেবেন? নিচে আপনার মতামত কমেন্টে জানাবেন।
- আমি এই বিষয়ে অবশেষে রায়ের তথ্য, আদালত নথি ও সাক্ষাৎকারগুলো সংগ্রহ করতে পারিনি
“সালমা: প্রথম বিবাহ, তালাক ও দ্বিতীয় বিবাহ — সর্বশেষ বিশ্লেষণ”
থাম্বনেইল (Thumbnail) টেক্সট:
“বিবাহ
/ বিবাহবিচ্ছেদ / দাবি
ও
সত্য”
বন্ধুরা! আজ
আমরা
জানব
গায়িকা
সালমা-র
প্রথম
ও
দ্বিতীয় বিবাহ,
তালাক
এবং
বিতর্ক—কী সত্য, কী
অসম্পূর্ণ তথ্য।
দেখে
নিন
পুরো
বিশ্লেষণ।”
পরিচিতি / প্রেক্ষাপট
“সালমা (মৌসুমী
আক্তার
সালমা)
‘ক্লোজআপ’ রিয়ালিটি শো
থেকেই
আলোচনায় আসেন,
এরপর
বাংলা
গানে
জনপ্রিয় নাম।
তবে
তার
ব্যক্তিগত জীবন—বিশেষ করে বিবাহ
ও
বিতর্ক—সাধারণ মানুষেরও উৎসাহী
বিষয়।
আজ
তার
সেই
জীবনের
একটি
অধ্যায়
বিবেচনা করবো।”
প্রথম বিবাহ ও সম্পর্ক
“সালমা ২০১১
সালে
রাজনীতিবিদ শিবলী সাদিক-এর
সঙ্গে
পারিবারিকভাবে বিয়ে
করেন।
তাদের
সংসারে
একটি
কন্যাসন্তান—স্নেহা—জন্মগ্রহণ করে।
২০১৬
সালের
২০
নভেম্বর তাদের
বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
Jagonews24+2Dhaka Times 24+2”
বিবাহবিচ্ছেদ বিষয়ে দাবি ও প্রতিক্রিয়া
“শিবলী সাদিক
দাবি
করেছেন,
সালমার
‘অসামঞ্জস্য জীবনযাপন’, ‘রাতবিরাতে বিভিন্ন জায়গায়
যাওয়া’
এবং
পারিবারিক সীমাবদ্ধতা লঙ্ঘন
করাই
বিচ্ছেদের কারণ
ছিল।
Jagonews24
সালমার
পক্ষ
থেকে
বলা
হয়েছিল,
পারস্পরিক সম্পর্ক টিকেছিল না,
পারস্পরিক সম্মতি
না
থাকলে
সংসার
হয়
না।”
দ্বিতীয় বিবাহ সংবাদ
“২০১৮ সালের
৩১
ডিসেম্বর সালমা
পারিবারিকভাবে সানাউল্লাহ নূর (সাগর)-কে বিয়ে
করেন।
দেশ
রূপান্তর+3The Daily Ittefaq+3khaskhobor.news+3
সালমা
বলেছিলেন, “প্রেম
নয়—দুই পরিবারের সম্মতিতে” এই
বিয়ে
হয়েছে।
The Daily Ittefaq+2দেশ রূপান্তর+2”
আদালত মামলাসমূহ ও অভিযোগ
“নূরের প্রথম
স্ত্রী
তাসনিয়া মুনিয়াত পুষ্মী সংবাদ
সম্মেলনে অভিযোগ
করেন:
শারীরিক ও
মানসিক
নির্যাতন, অর্থ
প্রতারণা, মামলার
হুমকি।
চাঁদপুর টাইমস
তারা
দাবি
করেন,
নূর
ও
পুষ্মীর মধ্যে
বৈধ
বিচ্ছেদ হয়নি—সুতরাং নূরের ছেলে
বা
দ্বিতীয় বিবাহ
বৈধ
হবে
না।
চাঁদপুর টাইমস
২০১৮
সালের
৫
জুলাই
কক্সবাজার নারী
ও
শিশু
নির্যাতন দমন
ট্রাইব্যুনালে মামলাও
দায়ের
করা
হয়েছে।
চাঁদপুর টাইমস”
সালমার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন এমপি শিবলী
জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত শিল্পী ও ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সালমা বেগমের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন তার সাবেক স্বামী দিনাজপুর-৬ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি শিবলী সাদিক।
তিনি বলেছেন, সালমার উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনই বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারণ। তিনি দাবি করেন, সালমার অস্বাভাবিক চলাফেরার কারণেই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার ও বংশ সম্পর্কে আপনাদের হয়তো ধারণা আছে। দিনাজপুরের স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পটের সুবাদে অনেকে আমাদের চেনেন। সালমার অস্বাভাবিক চলাফেরার কারণেই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে। সালমা রাত-বিরাতে বিভিন্ন জায়গায় যায়।
এটিই মূল সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এটাই আমরা এক্সসেপ্ট করতে পারিনি। বিশেষ করে গত রমজানে সেহরি পার্টি থেকে শুরু করে চার মাস রাগ করে বাসা থেকে চলে গিয়ে বাইরে ছিল। সে চলতি মাসের ২০ তারিখ বাসায় ফিরে টাকা-পয়সা দাবি করে, মোহরানা দাবি করে। এমনকি কাজী সঙ্গে নিয়ে আসে। একপর্যায়ে ২০ লাখ টাকা দাবি করে। এমনকি সে চেক না দিয়ে নগদ টাকা দাবি করে।’
সালমাকে গান করতে না দেয়া সম্পর্কে তরুণ এই এমপি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছিলাম সে একটা লিমিটেশনের মধ্যে থাকুক। ঢাকায় গ্রোগ্রাম করুক, বড় বড় প্রোগ্রামে অংশ নিক। কিন্তু ওর কথা এটা নয়। ওর কথা হলো সে আমেরিকা বা দেশের বাইরে যাবে, নাটক ও অভিনয় করবে। রাত-বিরাত স্টুডিওতে গিয়ে কাজ করবে। এসব করতে পারিবারিকভাবে আমরা নিষেধ করেছি। এই হলো বিষয়।’
মেয়ে কার কাছে থাকবে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে দুজনের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। মেয়ে আমার কাছেই থাকবে।
তিনি যোগ করেন, মেয়ের টেককেয়ার সে আগেও করতো না বা এর ধারও ধারতো না। তিনি বলেন, সালমার পরিবারের টার্গেট ছিল আসলে অন্য বিষয়ে। তারা টাকা-পয়সা আদায় করতে চেয়েছে। তারা সফলও হয়েছে।
সালমার বাবা-মাকে সম্মান না করা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এসব বাজে কথা। ওর বাবা-মা তো মাসের ২৫ দিনই আমার কাছে থাকতো। আমি যদি খারাপ ব্যবহার করতাম তাহলে আমার বাসায় কীভাবে থাকে? মাসের ৫টা দিন শুধু কুষ্টিয়া থাকতো তারা।
এমনকি সালমার বাবা-মা ভাইবোনকে আমিই টাকা-পয়সা দিতাম। এমনকি আমার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর সালমার নামে এখন ঢাকায় দুটি ফ্ল্যাট হয়েছে।
তাদের গ্রামে দোতলা বাড়ি করে দিয়েছি আমি। বিয়ে হওয়ার আগেও সালমা ইনকাম করতো কিন্তু কিছুই তো করতে পারেনি।’
স্বামীর আগের বিয়ের সংবাদ প্রকাশের পরই নিজের দেওয়া বক্তব্য পরিবর্তন করেন সংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ‘দ্বিতীয় স্বামীর আরেক স্ত্রীর কথা জানেন না সালমা’ শিরোনামে ২৫ মার্চ প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সালমা বলেছেন, বর্তমান স্বামীর আগের বিয়ের খবর তিনি জানতেন। সবকিছু জেনেই তিনি সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে বিয়ে করেছেন।
এ বছরের শুরুতে সালমা তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। তখন বলেছেন, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ছেলে সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে পারিবারিকভাবে তিনি বিয়ে করেছেন। এই বিয়ের খবর প্রকাশের তিন মাস পর জানা গেছে, সালমার বর্তমান স্বামী আগে আরেকটি বিয়ে করেছেন। তাসনিয়া মুনিয়াত কক্সবাজারের মেয়ে, ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। ২০১৪ সালের ৩ জুন সানাউল্লাহ নূরে সাগর ও তাঁর বিয়ে হয়। এবার প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে সালমাকে বিয়ে করেছেন সানাউল্লাহ নূরে সাগর। বিয়ের পর সানাউল্লাহ নূরে সাগর লন্ডনে চলে যান।
গত ১৮ জানুয়ারি প্রথম আলোকে সালমা জানান, প্রেম নয়, দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাঁদের বিয়ে হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর তাঁর বাসায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সানাউল্লাহ নূরে সাগর আবার লন্ডনে ফিরে গেছেন
উল্লেখ্য ২০০৬ সালে ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাধারণ মেয়ে থেকে হয়ে ওঠেন তারকা। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল গান উপহার দিয়ে নিজেকে তুলে ধরেন সেরাদের তালিকায়। ২০১১ সালে এই শিল্পী পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন রাজনীতিবিদ শিবলী সাদিককে। ২০১২ সালে ১ জানুয়ারি তাদের সংসারে কন্যা সন্তান স্নেহা জন্ম নেয়। এরপর ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।
শিরোনাম
সালমার প্রতিক্রিয়া ও বক্তব্য পরিবর্তন
“প্রথম আলো
প্রতিবেদনে বলা
হয়,
সালমা
স্বীকার করেছেন,
নূরের
আগের
বিয়ের
বিষয়টি
তিনি
জানতেন। ‘এক
বছর
আগে
তালাক
হয়েছে’—তিনি সাংবাদিকদের এ
তথ্য
দেন।
Prothomalo
তবে
পরে
কিছু
বক্তব্য তিনি
সংশোধন
করেছেন,
বলেছে,
‘ভুলটা
আমারই
হয়েছে’। Prothomalo
এছাড়া,
সালমা
বলেন,
“মিডিয়াতে যা
প্রকাশ
পাচ্ছে
সবই
ঠিক
নয়।”
দেশ
রূপান্তর”
আইন ও বৈধতা বিশ্লেষণ
“বাংলাদেশ ও
ইসলামী
পারিবারিক আইন:
যদি
প্রথম
বিবাহবিচ্ছেদ সঠিকভাবে প্রক্রিয়াভুক্ত না
হয়,
তাহলে
দ্বিতীয় বিবাহ
আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে
পারে।
মূল
প্রশ্নগুলো:
1.
নূর
ও
পুষ্মীর বিবাহবিচ্ছেদ বৈধ
নথিতে
হয়েছে
কি
না?
2.
সালমা
কি
আগেই
সব
তথ্য
জানতেন?
3.
মামলার
রায়
ও
প্রমাণ
কী
হয়েছে?
এসব
প্রশ্ন
উত্তর
ছাড়া
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া
কঠিন।”
বিশ্লেষণ ও সাজেশন
“মিডিয়াতে প্রচারিত তথ্য
ও
দাবি—সবকিছুর যাচাই প্রয়োজন। শুধু
শিরোনাম দেখে
বিশ্বাস না
করা
উচিত।
দর্শক
হিসেবে
আপনিও
সতর্ক
থাকুন—আপনি তথ্যের উৎস
জিজ্ঞেস করুন,
প্রমাণের দিকে
খেয়াল
রাখুন।”
উপসংহার / কল টু অ্যাকশন
“সালমার জীবনের
এই
বিতর্কিত অধ্যায়—প্রথম বিয়ে থেকে
দ্বিতীয় বিবাহ
এবং
নানাবিধ অভিযোগ—আলোচনার বিষয়।
আপনার
মতামত
কমেন্টে লিখুন:
এই
বিবাহবিচ্ছেদ ও
বিতর্কে আপনার
অবস্থান কী?
ভালো
লাগলে
লাইক
দিন, শেয়ার
করুন।
পরবর্তীতে থাকবে
আদালত
রায়,
নথিপত্র, সাক্ষাৎকার—তাই
সাথে
থাকুন।”



